ডেটা সিকিউরিটি কি? Data Security

ডেটা সিকিউরিটি কি? Data Security 

ব্যবহারকারী কি কি অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে এবং কি ধরনের তথ্য প্রয়ােগ করতে পারবে তা পরীক্ষা করে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাকে ডেটা সিকিউরিটি বলে। কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য ডেটা একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অন্যদিকে ডেটার গােপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। ডেটা সিকিউরিটি অবজেক্ট লেবেলে ডেটাবেজের অ্যাকসেস ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। কোন ব্যবহারকারী কোন কোন অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে এবং কি ধরনের তথ্য প্রয়ােগ করতে পারবে ডেটা সিকিউরিটি তা পরীক্ষা করে। যেমন- ধরা যাক ‘ক’ নামের একজন ব্যবহারকারী পরীক্ষার ফলাফল ডেটাবেজে ডেটা সিলেক্ট করতে পারবে কিন্তু মুছে ফেলতে পারবে না। এ কাজটি ডেটা সিকিউরিটির মাধ্যমে প্রদান করা যায়। ডেটা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে পাঠানাে হয়। পরে গন্তব্যে ডেটা ডিক্রিপ্ট করে মেসেজ উদ্ধার করা হয়। ডেটাকে এনক্রিপ্টশন ও ডিক্রিপ্টশন করার বিষয়কে ক্রিপ্টোগ্রাফী বলে। 

Data Security
Data Security 

ডেটা সিকিউরিটির জন্য নিম্নোক্ত প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। যেমন

  • ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করতে হবে। ফলে ঐ ডেটা অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারবে না।
  • প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে পাঠালে প্রাপক ঐ এনক্রিপ্ট ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে নিবে।
  • প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপককে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম জানতে হবে।
  • অনুমােদন ব্যতীত ডেটা ব্যবহার রােধ করতে হবে।

অথরাইজেশন : বিভিন্ন গ্রাহকের ডেটাবেজে বিভিন্ন রকম প্রবেশাধিকার রক্ষা করা হয়। এ প্রবেশাধিকারের ওপর ভিত্তি করে একই ব্যবহারকারীর একাধিক ধাপে অথরাইজেশন থাকতে হয়। 

১. রিড অথরাইজেশন : এ ধাপে শুধু ব্যবহারকারীকে ডেটা পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কোনাে অবস্থাতেই ডেটা মােছা বা পরিবর্তন করার সুবিধা দেওয়া হয় না।

২. ইনসার্ট অথরাইজেশন : এ ধাপে ব্যবহারকারী নতুন ডেটা ইনসার্ট বা সংযােজন করতে পারবে কিন্তু ডেটা পরিবর্তন করতে পারবে না।

৩. আপডেট অথরাইজেশন : এ ধাপে ব্যবহারকারীকে ডেটা পরিবর্তন বা সংশােধন করার অনুমতি প্রদান করা হয়।

৪. ডিলিট অথরাইজেশন : এ ধাপে ব্যবহারকারীকে ডেটা বাদ দেওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়।

ডেটা সিকিউরিটির জীবনচক্র : ডেটা রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সুচিন্তিত পরিকল্পনার প্রয়ােজন। স্পর্শকাতর ডেটার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং সিস্টেম ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোন ধরনের সমস্যা না হয় সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ প্রক্রিয়াকে ডেটা সিকিউরিটির জীবনচক্র বলা হয়।

১. ঝুঁকি নির্ধারণ যাচাই : অনাহুত প্রবেশের ঝুকি নির্ধারণ, যেমন- কে, কখন, কোথায় এবং কীভাবে অনাহূত হিসেবে প্রবেশ করে অথবা ডেটা ভেঙে ফেলার কোনাে সুযােগ রয়েছে কি-না। 

২. রক্ষণাবেক্ষণ কৌশল ও নীতি : এ ধরনের ঝুঁকি চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহারকারীর এবং তার মৌলিক ব্যবস্থাপনা কৌশলগুলাে সুচারুরূপে নির্ধারণ করা। 

. ডেটার অবস্থান এবং শ্রেণিবিন্যাস : কোনাে ডেটা স্পর্শকাতর হিসেবে বিবেচিত এবং সেটি প্রতিষ্ঠানের কোথায় অবস্থিত তা নিরূপণ করা। 

৪. শিক্ষা : কোম্পানির সকলকে ডেটা রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নীতিমালা এবং কার্যপ্রণালির উপর শিক্ষিত করতে হবে এবং সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটরদেরকে ডেটা নিরাপত্তা সমাধান বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার উপর শিক্ষিত করতে হবে। 

৫.রক্ষণাবেক্ষণ : ডেটা নিরাপত্তা সমাধান কোথায় এবং কিভাবে সংস্থাপন করা হবে এবং এ সমাধানকল্পে প্রয়ােজনীয় উপাদান নিরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। 

৬. মনিটরিং : ডেটা এবং নেটওয়ার্ক সিস্টেমে ব্যবহারকারীর প্রবেশের লক্ষ্যে সমাধান কার্যকরভাবে সংস্থাপন এবং নেটওয়ার্ক কার্যক্রমে এর প্রস্তাব মনিটরিং করতে হবে। 

৭. ব্যবসায়িক বিবর্তন : সবশেষে, সময়ের সাথে সাথে কী ধরনের পরিবর্তন আবশ্যকীয় হবে তা বিবেচনা করা এবং প্রয়ােজন অনুসারে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সকল পরিবর্তনের সাথে মানানসই স্তর ও নমনীয়তার ভিত্তিতে কাজ করা। 
ডেটাবেজের সিকিউরিটি ভঙ্গের কারণ : ডেটাবেজের সিকিউরিটি ভঙ্গের কারণসমূহ হলাে— 

১. ডেটাবেজে অননুমােদিত ব্যক্তির প্রবেশ : ডেটাবেজ অননুমােদিত ব্যক্তির প্রবেশ, ডেটা পড়া, পরিবর্তন করা, ডেটা নষ্ট করা ইত্যাদি। অননুমােদিত ব্যক্তি ডেটাবেজে প্রবেশ করলে ডেটাবেজের গােপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়। 

২. দুর্ঘটনাজনিত : সাধারণত ডেটাবেজের ভুল ব্যবহার বা অপব্যবহারের জন্যই এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এর প্রধান কারণগুলাে হলাে— 
  • প্রসেস চলার সময় সিস্টেম ক্র্যাশ করলে,  
  • বিভিন্ন কম্পিউটারে ডেটা বিভাজনজনিত কারণে সৃষ্ট অনিয়ম,
  • বিভিন্ন লজিক্যাল ভুল। 
কম্পিউটার সিকিউরিটির প্রকারভেদ : কম্পিউটার সিকিউরিটি তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা
  • হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি
  • সফটওয়্যার সিকিউরিটি 
  • নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি 
হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি : এ সিকিউরিটি এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার অর্থাৎ কম্পিউটারকে নিরাপত্তা প্রদান করা ব্যাকআপ, I PC-Locks, Keyboard Locks, Smart Card, Biometrics Device ইত্যাদির মাধ্যমে হার্ডওয়্যার নিরাপত্তা প্রদান করা হয়।

সফটওয়্যার সিকিউরিটি : এ সিকিউরিটি এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেখানে সফটওয়্যার এবং ডেটা ফাইলকে নিরাপত্তা প্রদান করা হয়  স্বয়ংক্রিয় কোড, সিরিয়াল নাম্বার ইত্যাদির মাধ্যমে সফটওয়্যার এবং ফাইল পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারের ডেটা ফাইলের সিকিউরিটি প্রদান করা হয়।

নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি : এ সিকিউরিটি এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।এন্টি যেখানে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডেটাকে নিরাপত্তা স্পাইওয়্যার প্রদান করা হয়। ফায়ারওয়াল, ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদম ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি প্রদান করা হয়।

ডেটা এনক্রিপশন Data Encryption

যে বিশেষ পদ্ধতিতে কোনাে ডেটা, টেক্সট বা লিখিত বিষয়বস্তুকে এমনভাবে পরিবর্তন করা হয় যা অপর কোনাে পদ্ধতি বা প্রােগ্রামের ব্যবহার ব্যতীত উক্ত ডেটা, টেক্সট বা বিষয়বস্তু পড়া বা বুঝা যায় না, সে পদ্ধতিকে ডেটা এনক্রিপশন বলে। অননুমােদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে ডেটা এনক্রিপশন নিরাপদ রাখে। প্লেইন টেক্সট (এনক্রিপ্ট করার পূর্বের মেসেজ) যা মানুষের পাঠযোগ্যরূপে থাকে। অপরপক্ষে সাইফারটেক্সট (এনক্রিপ্ট করার পরের মেসেজ) যা মানুষের পাঠযােগ্যরূপে থাকে না। ডেটা এনক্রিপশন করা হলে সাধারণত অননুমােদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ডেটা ব্যবহার করতে পারে না। প্রেরক নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করে ডেটা এনক্রিপ্ট করে দেয়। প্রাপকের নিকট ডেটা পৌঁছালে ঐ ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডেটা ডিক্রিপ্ট করে নিতে হয়। এক্ষেত্রে প্রেরক প্রাপককে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম জানাতে হবে। ডেটা সিকিউরিটির জন্য বিশেষ ধরনের কোড হিসেবে ডেটা এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ ৪টি। যথা

১. প্লেইনটেক্সট (Plaintext), 
২. সাইফারটেক্সট (Ciphertext), 
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (Encryption Algorithm) ও 
৪. কী (Key) 

প্লেইনটেক্সট : এনক্রিপশন করার পূর্বের মূল মেসেজ যা মানুষের পাঠযােগ্যরূপে থাকে তাকে প্লেইন টেক্সট বলে। উদাহরণ : ABC

সাইফারটেক্সট : এনক্রিপশন করার পরের মেসেজ যা মানুষের পাঠযােগ্যরূপে থাকে না তাকে সাইফারটেক্সট বলে। উদাহরণ হিসেবে ABC মেসেজটি সিজার কোডের মাধ্যমে এনক্রিপশন করে সাইফারটেক্সট হবে DEF. 

এনক্রিপশন অ্যালগরিদম : গাণিতিক ফর্মুলা যা প্লেইনটেক্সট থেকে সাইফারটেক্সটে এনক্রিপ্ট করার জন্য বা সাইফারটেক্সট থেকে প্লেইনটেক্সটে ডিক্রিপ্ট করাকে এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বলে। সিজার ক্রিপ্টোগ্রাফিতে যদি কী এর মান ৩ হয় তাহলে প্রতিটি বর্ণকে এনক্রিপশন করার সময় ৩ ঘর পরের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হয়। 

কী : ডেটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার জন্য গােপন কী কোড ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলে। যথা : 

১. পাবলিক কী Public Key); এই কী উন্মুক্ত থাকে। পাবলিক ক্রিপ্টোগ্রাফিতে পাবলিক কী ও প্রাইভেট কী উভয়ই ব্যবহৃত হয়। 
২. প্রাইভেট কী (Private Key) : এই কী গােপন থাকে। সিক্রেট ক্রিপ্টোগ্রাফিতে শুধু গােপন বা প্রাইভেট কী ব্যবহৃত হয়। 

ডেটা এনক্রিপ্ট করার বিভিন্ন ধরনের নিয়ম প্রচলিত আছে। যেমন— 
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard – DES) ও 
৩. আন্তর্জাতিক ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm-IDEA)।

ডেটা এনক্রিপশনের সুবিধা :

  • ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য এনক্রিপশন ব্যবহার করা হয়। 
  • সিস্টেম সিকিউরিটি ও ডেটা সিকিউরিটি উভয়ের জন্যই ডেটা এনক্রিপশন করা হয়। 
  • প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে এনক্রিপশন পদ্ধতি সম্পর্কে সমঝােতা হওয়ায় তৃতীয় কোন ব্যক্তি কোনাে ডেটাকে পরিবর্তন
  • করতে পারে না। 

ডেটা এনক্রিপশনের অসুবিধা :

  • অনেক জটিল গাণিতিক হিসাবের মাধ্যমে এনক্রিপশন করা হয় বলে প্রক্রিয়াটি ধীরগতি সম্পন্ন। 
  • এনক্রিপশন অ্যালগরিদম ঠিকমতাে কাজ না করলে ডিক্রিপশন করার পর মূল ডেটা পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
  • সঠিক এনক্রিপশন পদ্ধতি গ্রহণ না করলে অনেক সময় হ্যাকাররা ডেটার কপি পেয়ে যেতে পারে। 
ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড : আমেরিকার National Bureau of Standard (NBS) কর্তৃক আবিষ্কৃত Data Encryption Standard (DES) সর্বাধিক ব্যবহৃত এনক্রিপশন পদ্ধতি। নিচে ডেটা এনক্রিপ্ট করার উপায় আলােচনা করা হলাে। ধরা যাক, ডেটাকে এমনভাবে এনক্রিপ্ট করা হবে যাতে প্রতিটি অক্ষর এর পরবর্তী অক্ষর দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। ফলে কোন সাধারণ ব্যবহারকারী প্রকৃত ডেটা বুঝতে পারবে না।

আন্তর্জাতিক ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম : আন্তর্জাতিক ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম হলাে ব্লক সাইফার যা ১৯৯১ সালে। James Massey ও Xuejia Lai ডিজাইন করেন। এ অ্যালগরিদমটি ছিল Data Encryption Standard (DES) এর প্রতিরূপ।
ব্যাংকিং এ ডেটা এনক্রিপশনের ভূমিকা : ব্যাংকিং এ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের জন্য ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটাবেজের ক্লায়েন্ট সার্ভার পদ্ধতিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এ পদ্ধতিতে প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন পৃথকভাবে ডেটাবেজ তৈরি, সংশােধন, সম্পাদন ইত্যাদি কাজ করে এবং সার্ভারে রক্ষিত কেন্দ্রীয় ডেটাবেজ ওয়ার্কস্টেশনগুলাের সর্বশেষ ডেটাবেজ অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। সাধারণত প্রতিটি ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিস থাকে। এজন্য শাখা অফিস ও প্রধান কার্যালয়ের সাথে ডেটা আদানপ্রদানের সার্বক্ষণিক রক্ষা করার প্রয়ােজনে ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়। ব্যাংকের লেনদেনে কম্পিউটারাইজড ডেটাবেজের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে ব্যাংকের চেক, চেক নম্বর, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম MICR (Magnetic Ink Character Reader) এর মাধ্যমে লেনদেন দ্রুত সম্পন্ন হয়ে থাকে। এতে চেকের নিরাপত্তা প্রদান করে থাকে। তাছাড়া একটি ব্যাংকের যেকোনাে শাখা ব্যাংক থেকে সহজেই টাকা স্থানান্তর করা যায়।

উপাত্ত : সুশৃঙ্খলভাবে সাজানাে নয় এমন এক বা একাধিক বর্ণ, শব্দ, সংখ্যা, চিহ্ন, চিত্র, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি ব্যবহার করে সুনির্দিষ্ট আউটপুট বা ফলাফল পাওয়ার জন্য যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উপাদান কম্পিউটারে ইনপুট আকারে দেয়া হয় তাকে উপাত্ত বা ডেটা বলে। 

তথ্য : ডেটাকে প্রক্রিয়াকরণ করে যে অর্থবহ ফলাফল পাওয়া যায় তাকে তথ্য বা ইনফরমেশন বলে। অর্থাৎ ডেটাকে কম্পিউটারের সাহায্যে প্রয়ােজনমত প্রক্রিয়াকরণ করে যে রিপাের্ট তৈরি করা হয় তাকে তথ্য বা ইনফরমেশন বলে। 

এনটিটি : কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে সমস্ত রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে। 

এনটিটি সেট : একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলে। 

অ্যাট্রিবিউট : একটি এনটিটি-র বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে সমস্ত ফিল্ড বা আইটেম বা উপাদান ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাট্রিবিউট বলে। 

ডেটা হায়ারার্কি : ডেটাবেজ থেকে শুরু করে ফাইল, রেকর্ড, ফিল্ড, বাইট, বিটের ধারাবাহিক সংগঠনকে ডেটা হায়ারার্কি বলে। 

ফিল্ড : কতকগুলাে অক্ষরকে একত্রে ফিল্ড বলে। যেমন- N, a, m, e নিয়ে Name নামের একটি ফিল্ড গঠিত হয়েছে। 

রেকর্ড : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কতকগুলাে ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলে। যেমন- Roll, Name, GPA নিয়ে একটি রেকর্ড গঠিত হতে পারে। 

ফাইল : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততােধিক রেকর্ডকে ফাইল বলে। যেমন- কয়েকজন ছাত্রের তথ্য বা রেকর্ড নিয়ে ফাইল হতে পারে। 

ডেটাবেজ : পরস্পর সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততােধিক ফাইলকে ডেটাবেজ বলে। Data' শব্দের অর্থ উপাত্ত এবং Base' শব্দের অর্থ ‘ঘাটি’ বা ‘সমাবেশ। 

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম : যার মাধ্যমে ডেটাবেজ পরিচালনা, তথ্যের স্থান সংকুলান, নিরাপত্তা, ব্যাকআপ, তথ্য সংগ্রহের অনুমতি ইত্যাদি নির্ধারণ করা হয় তাকে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে। 

রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম : ফাইলগুলােকে শুধুমাত্র রেকর্ডের তালিকা সারি ও কলাম বিশিষ্ট টেবিলে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের ডেটাবেজকে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বলে।

প্রাইমারী কী : কোন ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এ ফিল্ডগুলাের মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডেটাগুলাে অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডেটা ভিন্ন ভিন্ন হবে এবং ঐ ফিল্ডের কোন ডেটা ফাঁকা থাকতে পারবে না। এ ধরনের ফিল্ডকে প্রাইমারী কী বলে।

কম্পােজিট প্রাইমারী কী : দুই বা ততােধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত প্রাইমারী কী কে কম্পােজিট প্রাইমারী কী বলা হয়। 

ফরেন কী : কোন একটি টেবিলের কোন একটি ফিল্ড যদি অন্য একটি টেবিলের প্রাইমারী কী এর ডেটার সাথে মিলে যায় তাহলে ঐ ফিল্ডকে ফরেন কী বলে। 

SQL : SQL এর পূর্ণনাম হলাে Structured Query Language। এটি একটি শক্তিশালী ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ।

কুয়েরি : নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা, নির্দিষ্ট গ্রুপের ডেটা এবং শর্তসাপেক্ষে ডেটা প্রদর্শন করাকে কুয়েরি বলে। 

সর্টিং : ডেটাবেজের ডেটাকে ঊর্ধ্বক্রম (Ascending Order) এবং নিম্নক্রম বা অধঃক্রম (Descending Order) এ সাজানােকে সর্টিং বলে। 

ইনডেক্সিং : ডেটাবেজে টেবিলের রেকর্ডসমূহের অ্যাড্রেসকে কোনাে লজিক্যাল অর্ডারে সাজানােকে ইনডেক্সিং বলে। 

ডেটাবেজ রিলেশন : একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলে। ডেটা সিকিউরিটি ব্যবহারকারী কী কী অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে এবং কী ধরনের কমান্ড প্রয়ােগ করতে পারবে তা পরীক্ষা করে প্রয়ােজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করাকে ডেটা সিকিউরিটি বলে। 

ডেটা এনক্রিপশন : ডেটা সিকিউরিটির জন্য ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয় অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য বিশেষ কোড ব্যবহার করা হয়। অননুমােদিত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখাকে ডেটা এনক্রিপশন বলে।


Hi there, if you like this writing and assume that it helped you then don't forget to share with friends so that your friends may get the opportunity fulfilling their thirst for knowledge. Thanks....
মোঃ নিজামউদ্দিন স্যার

আমি মোঃ নিজাম উদ্দিন সহকারি শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত আছি। প্রিয় শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনের বৃহত্তম প্ল্যাটফর্ম, ভাইরাল নিউজ বিডি -তে একজন নিয়মিত লেখক হিসেবে, অবসর সময়ে লেখালেখি করি। প্রিয় শিক্ষার্থী, আমার কোন লেখা যদি তোমাদের ভালো লাগে তবে তোমরা সেটি শেয়ার করে তোমাদের বন্ধুদেরকেও জানার সুযোগ করে দেবে।

*

Post a Comment (0)
Previous Post Next Post